সহচরী ১৮ ১ম পর্ব/ নাসীম আহমেদ/অগাষ্ট ২০২০

সহচরী ১৮ প্রথম পর্ব/ নাসীম আহমেদ/ অগাষ্ট ২০২০

Naseem 1

ছবি ১) নাসীম আহমেদ

স্থান কার্বন্ডেল শহর, যেখানে ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ইলিনয়ের অবস্থান।এখানকার সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশন্যাল স্টাডিস্‌ বিভাগের গবেষণা প্রশাসিকা  (Research Administrator) একটি গ্লোবাল উইমেন এন্ড লিডারশিপ (Global Women & Leadership) এর ওপরে একটি প্রজেক্ট করছেন। তিনি এই ধরণের কাজ আগেও করেছেন সরকারী ও বেসরকারী ফান্ডিং নিয়ে। এবারে আসবে আফ্রিকার মালায়ি (Malawi) থেকে ১৮ জন মহিলা। এরা সমাজসেবিকা বা সাংবাদিক অথবা স্কুল শিক্ষিকা। এদেরকে তিনি ১০০ জনের মধ্যে থেকে বেছে নিয়েছেন।মালায়ি খুব গোঁড়া ক্রিশ্চান দেশ। প্রজেক্ট শুরু হবার মাত্র কয়েকদিন আগে এদের একজনের স্বামী তাকে ফোন করলেন মালায়ি থেকে। বললেন, “আমার বউ তোমাদের প্রজেক্টে জয়েন করেছে। আমার জানার ও ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে ও এটা করেছে। আমি চাই না যে ও যায়।” এদিকে এদের টিকিট কাটা হয়ে গেছে স্টেট ডিপার্ট্মেন্টের অর্থে। সকালে উঠে এই প্রশাসিকা ই-মেলে তার কাছে আবেদন করলেন “তিনি অনেক আয়োজন করে মেয়েদের মালায়ি থেকে আনার ব্যাবস্থা করেছেন, টিকিট কাটা হয়ে গেছে সবার। তুমি সন্মতি না দিলে আমার এই প্রোগ্রামটা নষ্ট হয়ে যাবে। ইউনিভার্সিটির পাশেই চার্চ, ইচ্ছা করলেই তোমার বউ সেখানে যেতে পারবে।” কদিনবাদে চিঠি এল  সন্মতি জানিয়ে। মেয়েটি বাকিদের সঙ্গে  তিনসপ্তাহের জন্য এদেশে এল। এরপর প্রোগ্রাম শেষে যখন সে অল্প কিছু ডলার(honorarium)নিয়ে ফিরে যাচ্ছে, সে বললে “তো্মার জন্য আমার গ্রামের কত ছেলেমেয়ে  নতুন জামাকাপড় পেয়েছে। আমি দেখেছি আমাদের ক্যাপিটাল থেকে কত লোক বিদেশে যায়। আমি কোনোদিনই ভাবিনি আমি আসব।” এরপর তারা যখন দেশে ফিরল আমেরিকা থেকে, জাতীয় টেলিভিশন থেকে, সংবাদপত্র থেকে লোক এসেছে তাদের অভিবাদন জানাতে। এবং তাদের সাথে সামনের সারিতে হাতে গোলাপ নিয়ে বউকে অভিনন্দন জানাতে এসেছিলেন সেই মেয়েটির স্বামী।

এই প্রশাসিকা (Research Administrator) হলেন আমার এবারের সহচরী নাসীম আহমেদ।বাড়ী বাংলাদেশের ঢাকায়। এদেশে মাষ্টার্স করে পি এইচ ডি শুরু করলেও শেষ হয়নি।এরপর দীর্ঘদিন ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ইলিনয়ে কাজ করেছেন। প্রধান কাজ ছিল  Gender studies, Women studies  এর ওপর গ্র্যান্ট লিখে ফান্ডিং আনা।এই ফান্ডিং আনা হত ইউনিভার্সিটির International Studies Office এর সহযোগীতায়। মেয়েদের কেন্দ্র করে Women Studies and Sociology -র মাধ্যমে Study Abroad প্রোগাম শুরু করে বিভিন্ন ডিপার্ট্মেন্টের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে মরক্কো, কোস্টা রিকা  ইত্যাদি জয়গায় নিয়ে গেছেন। এভাবে অনেক প্রোগ্রাম তৈরী করে, সেগুলি খুবই সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে নিজের একটা স্থান করে নিয়েছিলেন ওই ইউনিভার্সিটিতে। মেয়েদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক  স্থান (Social and Economic Status)-এই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করতেন।এই ভাবেই নিজের কাজকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন। নাসীমের অনেক প্রজেক্ট ছিল বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আজারবাইজান ইত্যাদি দেশের কোনো ছোট শহরে বা গ্রামে (দেশের রাজধানীর বাইরে)। কাজের সূত্রে অনেকদেশ ঘুরেছেন। বেড়ানো তার অন্যতম ভাললাগা। এইভাবেই ২১ বছর কার্বন্ডেলে কাটিয়ে কাজ থেকে অবসর নিয়েছেন নাসিম।না, কথা এখানেই শেষ নয়। এবার যাব নাসিমের ছোটবেলায়।

নাসীমের বাড়ী ঢাকার ধানমন্ডীতে। ছোটবেলা বেশ ভালোই কেটেছে। তারা তিন বোন, এক ভাই। দেড়বছরের বড় দিদির সঙ্গে নাসীম খুব ঘনিষ্ট ছিলেন। ছোটবোন ও ভাই নাসীমের থেকে বেশ অনেকটাই ছোট। দিদির সঙ্গে নাসীম একসঙ্গে স্কুলে যেতেন। স্কুলের শিক্ষিকারা বলতেন তারা যমজ বোন। দিদি নাসীমের পুরো জীবণ ঘিরে আছে। নাসিমের কথায় “ওকে বাদ দিয়ে কোনো শুরুও ছিলনা, -শেষও হবে না।”

নাসীমের আব্বা ছিলেন পেশায় উকিল এবং রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ভারতের বালুরঘাট (পশ্চিম দিনাজপুর), রাজশাহী কলেজে ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন। ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন এবং মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট  সরকারের আমলে নাসীমের আব্বা তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সম্পাদক (Political Secretary)হন। নাসীমদের বাড়ীতে সেই সময়কার অনেক রাজনৈতিক নেতাদের আনাগোনা ছিল, তারা সকলেই আব্বার বন্ধু ছিলেন এবং সেই সূত্রে নাসীমদের চাচা।

নাসীমের মা সংসার নিয়ে ব্যাস্ত থাকতেন। আব্বা বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতেন, খেলতেন, আর মা রান্নাঘর থেকে ক্রমাগতঃ খাবার যোগান দিতেন। নাসীমের নারীস্বত্বা জেগে উঠেছে কিছুটা মাকে দেখে। আব্বা মেয়েদের খুব স্বাধীনভাবে বড় করেছেন, তখনকার বাংলাদেশে অনেকটাই রীতিবিরুদ্ধভাবে। বাড়ীতে ছেলেবন্ধুরাও আসত, গল্প হত। মেয়েরা তাদের আব্বাকে আদর্শ হিসেবে দেখে বড় হয়েছেন। আব্বা ছিলেন চলন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া, প্রচুর বিষয়ে পড়াশুনা ও জ্ঞান ছিল।নিজে আধ্যাত্মিক মানুষ হলেও তাঁর কাছে অন্য ধর্ম নিয়ে কোনো বাঁধা ছিলনা। আব্বা প্রতি শুক্রবার নামাজ পড়তে যেতেন মসজিদে। যে রিক্সাওয়ালা নিয়ে যেত, সেও সঙ্গে বসে পড়ত নামাজ পড়তে। নিজের সন্তানদের তিনি সেভাবেই বড় করেছেন। নাসীম ও তার দিদি সেই সময়কার একটি নামকরা ইংলিস মিডিয়াম ভিকারুন্নেসা স্কুলে (Viquarunnesa School) পড়েছেন। দু-তিন জন শিক্ষিকা তার জীবণের ভিত তৈরী করে দিয়েছেন।ইংরেজী ও বাংলা খুব যত্ন করে শিখেছেন স্কুলে। এখনকার বাংলাদেশের সাথে তখনকার স্কুলের পড়াশুনার পরিবেশের অনেক ফারাক।

১৯৬৮-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানে (অধূনা বাংলাদেশ) Martial Law পাশ হল। নাসীম তখন ম্যাট্রিক শেষ করে হোলি ক্রশ কলেজে ঢুকেছেন ইন্টারমিডিয়েট পড়তে। এখানে নানরা পড়াতেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছিল না এই কলেজের ওপরে। নাসীমরা ৭-৮ জন বন্ধু (যাদের বাবারা সবাই ছিলেন প্রগতিশীল মানুষ ও পরস্পরের বন্ধু) কালো ব্যাজ পরে ঢাকা ইউনিভার্সিটির “বটতলা” আর্টস্‌ বিল্ডিং-এর চত্বরে ছাত্রনেতাদের বক্তৃতা শুনতে যেতেন। এইসময় থেকেই গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র -র হয়ে গ্রামে গ্রামে গেছেন। জাফরুল্লা চৌধুরীর (পরবর্তীকালে নাসীমের প্রিয়বন্ধুর স্বামী) প্রচেষ্টায় তৈরী এই সংস্থা একটি অন্যতম অগ্রগামী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান (NGO) গরিব লোকেদের স্বাস্থ্যরক্ষার চেষ্টা করেন। এদের “নারীপক্ষ” নতুন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা সংগঠন। এদের সঙ্গে ফ্যামিলী প্ল্যানিং ইত্যাদি শেখানোর জন্য গ্রামে যেতেন ও কাজ করে বাড়ী ফিরে আসতেন।।এসব কাজ করতে নাসিমের খুব ভালো লাগত। কোনো বিদেশী মেয়ে ফ্লিল্ম বানাচ্ছে, নাসীম তার দোভাষীর কাজ করে দিয়েছেন। একবার একটি কাজে গ্রামে গেছেন। সেখানে গ্রামের প্রধাণ চত্বরে সবাই জমায়েত হয়েছে। এক মহিলা এসেছে, কোলে বাচ্ছা নিয়ে, হাতে জখম। জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে। সে না বলাতে, আশেপাশের মহিলাদের কাছে জানা গেল তার স্বামী তাকে মেরেছে। নাসীম জিজ্ঞেস করলেন,” স্বামী মেরেছে, আপনি কিছু বলছেন না?” উত্তরে মহিলা বললেন, “স্বামী মারবে না তো কে মারবে?” ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছেন মেয়েরা অত্যাচারিত নানাভাবে। কোনোদিন দেখতেন বাড়ীর কাজের মেয়ে মার খেয়ে এসেছে।এইসব দেখে তার মনে “বিবাহ” এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি একটু একটু করে অবিশ্বাস জন্মাতে শুরু করে। এর ওপরে সমাজের প্রভাব আরো ক্ষতিকারক। আস্তে আস্তে মনে হতে লাগল যে বিয়ে করতেই হবে তার কোনো মানে নেই। আরো পাঁচটা মেয়ের মতো ঝলমলে বিয়ে, বাড়ী, সংসার- এইসব নিয়ে কোনো উৎসাহ ছিল না। এভাবেই নানা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তার চরিত্র গড়ে ওঠে।

হোলি ক্রশে পড়াকালীন নাসীম আস্তে আস্তে দেশের রাজনৈতিক যুদ্ধে ঢুকে পড়েন। বাড়ী থেকে কোনো বাঁধা ছিল না। আগেই বলেছি, আব্বা ছিলেন একজন রাজনীতিজ্ঞ মানুষ এবং মেয়েদের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন দেশের মানুষের সেবা করার। ১৯৬৮-১৯৭০ এই সময়ে তাদের বাড়ীতে তাজউদ্দিন মহম্মদ ও অন্যান্য নেতারা নিয়মিত আসতেন। শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন তার আব্বার বিশেষ বন্ধু। বাড়ী ও পারিপার্শিক পরিবেশ তার ভিতরের ভিত গড়ে দিয়েছিল। ১৯৬৯ সালে বিশাল সাইক্লোনে গ্রাম-বাংলা ভেসে গেল। তারা দুই বোন প্রফেসার ও অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে  দুটো লঞ্চ ভর্তি সামগ্রী নিয়ে রওনা হয়ে পড়লেন মানুষের সাহায্যার্থে। সঙ্গে যাচ্ছে কাপড়-চোপড়, ওষুধপত্র, ইঞ্জেকশন ইত্যাদি।গিয়ে দেখলেন গ্রামের পর গ্রাম ভেসে গেছে। কোথাও লোহার শিকে শুধু একটি হাত আটকে আছে। সমুদ্রের প্লাবনে জলের তোড়ে মানুষটির দেহটা ভেসে গেছে, শুধু যে হাতটি দিয়ে সে প্রাণপণে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিল, সেই হাতটি রয়ে গেছে।

এই ত্রানকাজ করতে করতেই নাসীমের জীবণে আকস্মিক এল প্রথম রোমান্স। তিনি তখন হোলি ক্রশে পড়েন, আর সেই মানুষটি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র। ত্রানের কাজ করার সূত্রেই প্রথম আলাপ। একদিন দেখলেন একটি ছেলে দিদির সঙ্গে গল্প করছে। মাঝে মাঝেই দিদিকে বাড়ীতে ফোন করত। একদিন নাসীম ফোন ধরলেন এবং সেই ছেলেটি বুঝে বললেন, “দিদিকে ডেকে দিচ্ছি।” সেই ছেলেটি বললে, “তোমার সঙ্গেই তো কথা বলতে পারি।” সেই প্রথম পরিচয়। তার বয়স ১৮, ছেলেটির বয়স ২১ বছর। মাত্র ২২ বছরে মারা গেছেন মুক্তিযুদ্ধে। এর মধ্যে সেই মানুষটির সঙ্গে দেখা হয়েছে ৬-৭ বার। নাসীমের এই ভালোবাসার মানুষটি ছিলেন বাংলাদেশের এক মুক্তিযোদ্ধা। মানুষটি যুদ্ধে চলে যাবার পর তিনি সোয়েটার বুনে, কাঁথা সেলাই করে পাঠাতেন মুক্তি্যোদ্ধাদের জন্য। বাংলাদেশের এই যুদ্ধ এক গভীর প্রভাব ফেলেছিল নাসীমের জীবণে যার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জুড়ে আছে নাসীমের প্রথম ভালোবাসার মানুষটি। তখন প্রতিদিন রাতে একটু বেশী নামাজ পড়তেন বাংলাদেশের জন্য প্রাণপণে সংগ্রামেরত প্রতিটি মুক্তি্যোদ্ধার জন্য। এখানে বলে রাখি মুক্তিযুদ্ধ হল পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হবার স্বাধীনতা যুদ্ধ। এটি একটি স্বাধীন দেশ গড়ার যুদ্ধ যার জাতীয় ভাষা বাংলাভাষা। সেই সময়কার পটভূমিতে এবং অধূনা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে গুরুত্রপূর্ণ্। ১৯৭১ সালের নভেম্বরের ২০ তারিখে, ঠিক দেশ স্বাধীন হবার তিন সপ্তাহ আগে খবর পেলেন যে সেই মানুষটি মারা গেছেন যুদ্ধে। নাসীম ভেঙ্গে পড়লেন। এক গভীর শোকে আছন্ন হয়ে পড়লেন।ভীষণ রাগ আর অভিমান হল আল্লার প্রতি।তার সমস্ত প্রার্থনা ব্যার্থ করে ভালোবাসার মানুষটি চলে গেল। প্রিয়সাথীকে হারানোর যন্ত্রনায় দীর্ঘদিন কষ্ট পেয়েছেন তিনি। তার সেই শোক কাটিয়ে উঠতে প্রায় অনেক সময় লেগেছিল। সেই মানুষটির বাড়ীতে যেতে শুরু করলেন। তারাও শোকার্ত আর তিনিও। কোথাও যেন একটা যোগসূত্র তৈরী হল। ১৯৭২-এর শেষে আব্বা মালএশিয়ার Ambassador হয়ে চলে গেলেন। নাসীম তখন পড়েন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পলিটিক্যাল সায়েন্সে অনার্স নিয়ে। কিন্তু সদ্যোজাত বাংলাদেশের টালমাটাল অবস্থা।ক্রমাগতঃ পরীক্ষা পিছোচ্ছে। ১৯৭৩ সালে বাবার কাছে গিয়ে নয়মাস থাকলেন। দুই সেমেস্টার পড়লেন ইউনিভার্সিটি অফ মালায়া তে (University of Malaya)। এরপর ঢাকায় ফিরে পরীক্ষা দিয়ে বি এ পাশ করলেন খুবই কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বিভাগে প্রথম হয়ে। এর কিছুদিন বাদে পাড়ি দিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাষ্টার্স করতে। এই পর্বে নাসীমের প্রাক-ইউ এস এ জীবণের গল্প বললাম, পরের পর্বে থাকবে তার এদেশে জীবণের কথা।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s