সহচরী ১৬/ কমলপ্রিয়া রায়/ মে ২০২০

Sahachari 4সহচরী ১৬/ কমলপ্রিয়া রায়

 

IMG_2480

ছবি ১) কমলপ্রিয়া রায়

এবার গল্প শুরু করবো হিউষ্টনের দূর্গাবাড়ীর কলাভবনে। সময়টা ২০১৪ সাল। একটি সাংস্কৃতিক মিটিং চলছে বন্ধ দরজার ওধারে। সেই সময়কার হিউষ্টনের আগামী বঙ্গসন্মেলনের প্রেসিডেন্ট শ্রী শঙ্কু বোস কলাভবনের রবীন্দ্রসঙ্গীতের শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসা করলেন “পরের বছর আমাদের এখানে বঙ্গসন্মেলন হবে। সেখানে শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ  অনুষ্ঠানটি হবে। তুমি কি সবাইকে নিয়ে এই অনুষ্ঠানটি করতে পারবে?” শিক্ষিকা অভিভূত হয়ে গেলেন। তিনি অনেক গানের অনুষ্ঠান করিয়েছেন। এটা যে তার অনেক দিনের ইচ্ছা। সবাইকে নিয়ে গানের অনুষ্ঠান করা! সেই বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে বঙ্গসন্মেলন হয়েছিল ফ্লোরিডায়। সেখান থেকে আবার ফোন এল সেই প্রেসিডেন্ট ভদ্রলোকের এবং তিনি জানালেন যে এই প্রোগ্রাম টি পরের বছর তাদের হিউষ্টনে হবেই। সেই শিক্ষিকাই পরিচালনা করবেন।সেই শুরু ২০১৫ সালে বঙ্গসন্মেলনে “শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ” অনুষ্ঠানটির এবং প্রত্যেকবছর হয়ে চলেছে।

এতক্ষণ যে রবীন্দ্রসঙ্গীতের শিক্ষিকার কথা বললাম, তিনি হলেন শ্রীমতী কমলপ্রিয়া রায়, আমার এবারের সহচরী। তিনি হিউষ্টনের দূর্গাবাড়ির  কলাভবনে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিখিয়েছেন  ১০ বছর। কিভাবে ২০১৫ সালে হিউষ্টনের বঙ্গসন্মেলনে শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন, সেই গল্প পরে বলছি। আগে শুরু করছি তার ছোটবেলার গল্প দিয়ে। কারণ ছোটবেলা না জানলে যে কমলপ্রিয়াকে জানা হবে না।

IMG_4197

ছবি ২) টেগোর সোসাইটি অফ হিউষ্টনের অনুষ্ঠান-নিজের ছাত্রী ও অন্যান্যদের সঙ্গে

কমলপ্রিয়ার জন্ম শান্তিনিকেতনে। বাবা ছিলেন বিশ্বভারতীর ইংরেজির প্রফেসর। তারা চার বোন। তিনি সবার ছোট। বিশ্বভারতীর পাঠভবনে পড়াশুনা করেছেন।তারা থাকতেন অ্যান্ডরুস্‌ পল্লীতে, বিশ্বভারতীর কোয়ার্টারে। এখানেই ছোটবেলা থেকেই পাড়ার দাদা-দিদিদের সাথে নাটক, গানের অনুষ্ঠান করেছেন, স্পোর্টস্‌ খেলেছেন অনেক।

তার মনে পাঠভবনের নানান স্মৃতি মনে ভিড় করে আসে। স্কুলে যেতেন ব্যাগে বই খাতার সঙ্গে আসন নিয়ে। তাদের ক্লাস হত গাছের তলায়। কাজেই আসন পেতে বসে ক্লাস করতে হত। বৃষ্টি হলে ক্লাস হত ঘরে বা বারান্দায়। খুব বেশি বৃষ্টি হলে স্কুল ছুটি থাকত। তাদের নানান ধরণের ক্লাস ছিল। পড়াশুনার সঙ্গে  সঙ্গে  ছিল গানের ক্লাস, ছবি আঁকার ক্লাস, নাচের ক্লাস, হাতের কাজের ক্লাস। ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রসঙ্গীত খুব মন দিয়ে শিখতেন। পরবর্তী কালে উঁচু ক্লাসে (নবম, দশম ও একাদশ শ্রেণী) সঙ্গীতভবনের অধ্যক্ষ শ্রীমতী নীলিমা সেন গানের ক্লাস নিতেন। নীলিমাদি হারমোনিয়াম, তবলা ছাড়াই ক্লাস নিতেন। এরপর তিনি ১১ ক্লাস পাশ করলেন (এইচ এস, H.S.)। পড়াশুনার সাথে সাথে দুবছরে গানের সার্টিফিকেট নিয়ে নিয়েছেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন অনেক ভালো ভালো অনুষ্ঠান দেখেছেন গৌরপ্রাঙ্গনের মুক্তমঞ্চে। পন্ডিত রবিশঙ্করের সেতার, হেমন্ত মুখার্জী, সাগর সেনের গান ইত্যাদি। এখানে প্রতিবছর দোল উৎসব হত। শান্তিনিকেতনের সবাই আনন্দে মেতে উঠতেন ওইদিন। ২২ শে শ্রাবণ হত বৃক্ষরোপন। একটি প্রাণ চলে গেলে আরেকটি প্রাণকে স্বাগত জানিয়ে নিয়ে আসার এ এক অভিনব প্রচেষ্টা।

IMG_2272

ছবি ৩) শতকন্ঠের অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে কমলপ্রিয়া

এই শান্তিনিকেতনেই প্রকৃতিকে চিনেছিলেন কমলপ্রিয়া। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত – প্রত্যেকটি ঋতু  অপূর্ব সুন্দরভাবে ধরা দিত।  পৌষউৎসব খুব ভালো হত। খুব বড় মেলা বসত, গ্রাম-গ্রামান্তর থেকে ব্যাপারীরা নানা রকমের জিনিস এনে বিক্রি করত। নানারকমের পুঁতির মালা  ও মনোহারী জিনিস পাওয়া যেত। পুজোর আগে শারদোৎসব বলে এক নাট্যমেলা হত। একেক সন্ধ্যায় একেক বিভাগের  লোকজন এসে নাটক করতেন । শান্তিনিকেতন ব্রাহ্ম স্থান, পুজা হত  কাঁচের ঘরের উপাসনা গৃহে। প্রথমে আচার্য এসে বসবেন। প্রার্থনান্তে পাঠ  ও রবিঠাকুরের গান গাওয়া হবে। প্রতি বুধবার শান্তিনিকেতন ছুটি, রবিবারে খোলা। বুধবার ব্রহ্মউপাসনার দিন।  এদিন মূর্তিবিহীন পরমেশ্বরের আরাধনা হত। বুদ্ধপূর্ণিমা, নববর্ষ, বসন্তোৎসব, বর্ষাশেষ ইত্যাদি খুব সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হত। এই পরিবেশ মনটাকে শুদ্ধ, সুন্দর করে দেয়। এইরকম পরিবেশে সকলের সঙ্গে মিলেমিশে বড় হয়েছেন। এখান থেকেই সকলকে নিয়ে একসঙ্গে কিছু করবেন এই ভাবনা তার মনে এসেছে। তার মনের এই ইচ্ছাকে পুষ্ট করেছে প্রতিদিন  বৈতালিকে সবাই মিলে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা। এটিও রবিঠাকুরের দর্শনে তৈরী। প্রতিদিন  (একসপ্তাহের বৃহস্পতি বার  থেকে পরের সপ্তাহের মঙ্গলবার) সকালে ক্লাস শুরু হবার  আগে সাড়ে ছটায়  ১৫-২০ মিনিট দাঁড়িয়ে  মেয়েরা ও ছেলেরা পুজা পর্যায়ের গান গাইত। একেকদিন  একেক বিভাগের  (সঙ্গীতভবন, বিজ্ঞানভবন, কলাভবন ইত্যাদি) ছেলেমেয়েরা গানে নেতৃত্ব দিত। এই বৈতালিকে খুব সুন্দর করে গান পরিবেশন হত। সবাই গানের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে গান গাইত। দীর্ঘদিন স্কুলজীবনে এই বৈতালিকের গান তার মনকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।

তিনি অনেক  গানের অনুষ্ঠান করেছেন। বিশ্বভারতীর হয়ে এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর সঙ্গে। কলকাতা, দূর্গাপর, আসানসোল, মাইথন, শিলিগুড়ি প্রভৃতি জায়গায় অনুষ্ঠান করতে গেছেন। তার ওপরের দিদি শ্রীমতী সুকৃতি লাহিরী ভালো গান গাইতেন। দিদির সঙ্গে সঙ্গে তিনিও গান গেয়েছেন প্রচুর গানের অনুষ্ঠানে। “আশ্রমিক সংঘ” -এর হয়ে অনেক অনুষ্ঠান করেছেন। এই রকম অনেক স্মৃতি মনে ভিড় করে আসে কমলপ্রিয়ার। এই ব্যাপারে বাবা-মায়ের সমর্থন ছিল। এর মধ্যে সংস্কৃতে এম এ করেছেন। ১৯৮৮ -র  মার্চে বিয়ে হল কেমিক্যাল ইঞ্জিনীয়ার আলোক রায়ের সাথে। ছয়মাস পরে এদেশে আসেন ড্যালাস ফোর্ট ওয়ার্থে। হিউষ্টনে  ছিলেন প্রায় ২৮ বছর। বড় মেয়ে নাতাশা ইউনিভার্সিটি অফ হিউষ্টনে পড়া শেষ করে এখন  হিউষ্টনে স্কুল শিক্ষিকা। তাদের ছেলে  ইউনিভার্সিটি অফ পেন্সিল্ভ্যানিয়াতে কম্পুটার সায়েন্স নিয়ে পড়েছে, এখন ওয়াশিংটন ডিসিতে কাজ করে। কমল্প্রিয়া এখন তার স্বামীর কর্মসুত্রে  অগাষ্টায় (জর্জিয়া) আছেন বছরদেড়েক। ছোট জায়গা, এখানে মানুষের মধ্যে একটা আন্তরিক ব্যাপার আছে। অনেক সুন্দর সুন্দর বেড়ানোর জায়গা আছে। স্বামীর কাজ শেষ হলে তারা আবার হিউষ্টনে ফিরে যাবেন।

IMG_2222

ছবি ৪) শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ অনুষ্ঠানে কনলপ্রিয়া, বঙ্গসন্মেলন, বাল্টিমোর,২০১৯

প্রথম “শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ” অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে গিয়ে মনে  হয়েছিল এত বড় ব্যাপার, কি করে করবেন? তারপর অনেক লোকের কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছেন। কমলপ্রিয়ার মনে পড়ে তিনি অষ্টিনের বাঙ্গালীদের খুঁজে বার করে তাদের জনে জনে ফোন করেছিলেন জানতে যে কেউ যোগদান করতে ইচ্ছুক কিনা। অবশেষে অষ্টিনের বাঙ্গালী সমিতির প্রেসিডেন্টের সাহায্যে প্রায় ১০ জন শিল্পীকে  পেলেন। হিউষ্টন থেকেও অনেক ছেলে -মেয়ে এসেছিলেন। এছাড়া অন্যান্য স্টেট থেকে বাকিরা এসেছিলেন। এতজনের একসঙ্গে গান, এবং অনেকেই অন্যান্য জায়গায় থাকেন। কাজেই একসঙ্গে প্র্যাকটিস্‌ করা সম্ভব নয়। এর জন্য চাই গানের  সুর, তবলা ও অন্যান্য যন্ত্রের ট্র্যাক,  যার সঙ্গে প্রত্যেকে তার নিজের সুবিধানুযায়ী প্র্যাকটিস্‌ করবেন। এটাই এই অনুষ্ঠানের প্রধাণ অংশ। প্রত্যেক  গানের কথা এবং কোন অংশ কতবার হবে, কোন অংশ ছেলেরা বা মেয়েরা গাইবেন এবং কোন অংশ কোরাস্‌ হবে তার মাষ্টার কপি পাঠানো হয় এবং গানের ট্র্যাক পাঠানো হয়। মাষ্টারকপি তৈরী করেন কমলপ্রিয়ার স্বামী, শ্রী আলোক রায়। সবাই সেটি অনুসরণ করে যে যার বাড়ীতে প্র্যাকটিস্‌ করে এসে অনুষ্ঠান করেন। অনুষ্ঠানের আগে একবার সবাইকে দিয়ে প্র্যাকটিস্‌ করিয়ে কমলপ্রিয়া দেখে নেন  শুনতে কেমন লাগছে। এরপর সবাই  মিলে মঞ্চে অনুষ্ঠান করেন। প্রথমবার ১০টা গানের ট্র্যাক তৈরী করে দিয়েছিলেন  কলকাতার শ্রী শান্তনু  মুখোপাধ্যায়। সেই ট্র্যাক ব্যাবহার করে পরপর তিন বছর “শতকন্ঠে  রবীন্দ্রনাথ” হয়েছে। প্রথমবার (২০১৫) হিউষ্টনে গানের সঙ্গে পাঠ করেছিলেন শ্রী সৌনক চট্টোপাধ্যায় এবং শ্রীমতী  শান্তশ্রী সেন। সঙ্গীত নির্বাচনে ছিলেন শ্রীমতী বুলবুল সেনগুপ্ত, ভাষ্যরচনায় ছিলেন শ্রীমতী শ্রাবণি আকিলা।গান করেছিলেন ৬০ জন শিল্পী। দ্বিতীয়বার (২০১৬) নিউ ইয়র্কে, ৮০ জনকে নিয়ে ও তৃতীয়বার  (২০১৭) সান্টা ক্লারা (বে এরিয়া), ৮০ জনকে নিয়ে। এই বছর থেকেই টেগোর সোসাইটি অফ হিউষ্টন এই  অনুষ্ঠানটির সামগ্রিক দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছেন। চতুর্থবার (২০১৮) হিউষ্টনের টেগোর সোসাইটির অনুরোধে দেবজ্যোতি মিশ্রের দুটি গানের ট্র্যাক ও সৌনকের চট্টোপাধ্যায়ের একটি গানের ট্র্যাকের সঙ্গে গাওয়া হয়েছিল অ্যাটলান্টিক সিটিতে। শ্রী দেবাশীষ অধিকারী সহায়তা করেন। পঞ্চমবার (২০১৯) হল বাল্টিমোরে শ্রীমতী ভারতী মিত্রের সহায়তায়।গানের  ট্র্যাক করেছিলেন শ্রী শান্তনু ঘোষ।  সেবার গানের সঙ্গে পাঠ  করেছিলেন  সাহিত্যিক সমরেশ বসুর পুত্র ডাঃ নবকুমার বসু (ইনিও সাহিত্যিক, ইংল্যান্ডে থাকেন)। ভাষ্যরচনায় ছিলেন শ্রীমতী ভারতী মিত্র। টেগোর সোসাইটি অফ হিউষ্টনের দেবলীনা ও রাজা বাঙ্গা, মিলা সেনগুপ্ত  ও মৃনাল চৌধুরী তাকে বিভিন্ন সময়ে নানাভবে সাহায্য করেছেন। এছাড়াও হিউষ্টনের বাইরে থেকে সহায়তা করেছেন আরো অনেকে, তাপস সান্যাল প্রণতি চৌধুরী, স্বপ্না রায়, অনামিকা সরকার , সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়, সোনালী ভট্টাচার্য,চান্দ্রেয়ী মুখার্জী, প্রসেনজিত বিশ্বাস, সংঘমিত্রা ভট্টাচার্য প্রমুখ।

এছাড়াও ২০১৯ এর তিনি ন্যাশ্‌ভিলে বেঙ্গলী পারফরমিং আর্টস্‌ কনফারেন্সে (বি পি এ কন, BPA Con) অনেকজনকে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েছেন। বি পি এ কন এর কর্ণধার শ্রী সলিল দাসের আমন্ত্রণে তিনি এই অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন। পাঠ করেছিলেন তার বন্ধু  ও অগাষ্টা ইউনিভার্সিটির প্রফেসার  সোমা মুখোপাধ্যায়।  তাদের এই গানের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন দেশ থেকে আগত বেশ কিছু শিল্পীরা। কমলপ্রিয়া তাদের আগে থেকে গানের কথা, নির্দেশ ও ট্র্যাক পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। অ্যাটলান্টা, অ্যালাব্যামা ও মিশৌরী থেকে কিছু শিল্পী অংশগ্রহণ করেছিলেন, বাকিরা অন্যান্য জায়গা থেকে এসেছিলেন। প্রায় জনা তিরিশেক গানের শিল্পীকে নিয়ে হয়েছিল এই অনুষ্ঠানটি।

IMG_2220

ছবি ৫) শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ অনুষ্ঠানে শ্রী দেবাশীষ অধিকারীর সঙ্গে কমলপ্রিয়া রায়

বর্তমানে  আগামী ৯ই মে  টেগোর সোসাইটির উদ্যোগে  ভারচুয়াল রবীন্দ্রজয়ন্তী  উপলক্ষ্যে “শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথের” একটি গানের কোলাজের ওপরে কমলপ্রিয়া ও অন্যান্য গানের শিল্পীরা কাজ করছেন। এটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে ৮ই ও ৯ই মে ।

স্বামী আলোক রায় কে সবসময় নিজের পাশে পেয়েছেন। “শতকন্ঠে” র  স্টেজের পিছনের সব কাজ আলোক সামলান। কমলপ্রিয়া তার পরিবারের সবাইকে  নিয়ে  ভালো থাকুন এবং প্রতিবছর  “শতকন্ঠে রবীন্দ্রনাথ”অনুষ্ঠানটি করে নিজে আনন্দ পান ও সবাইকে আনন্দ দিন এই কামনা করি।

IMG_2325 (2)

ছবি ৬) স্বামী আলোক রায়ের সঙ্গে কমলপ্রিয়া রায়

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s